ট্রাম্প প্রশাসনের কড়াকড়ি, পৌনে দুই লাখ ভিসা বাতিল
ডেস্ক রিপোর্ট
আপলোড সময় :
১১-০৮-২০২৬ ১২:৩৩:২৭ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
১১-০৮-২০২৬ ১২:৩৪:০৮ অপরাহ্ন
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসননীতির অধীনে প্রায় পৌনে দুই লাখ বিদেশির ভিসা বাতিল করা হয়েছে। এর পাশাপাশি আরও হাজার হাজার বিদেশি নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ ও অভিবাসনের নানা সুবিধা হারিয়েছেন।
সোমবার (১০ আগস্ট) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর প্রকাশিত একটি নথিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফেরার পর থেকেই এই কঠোর অভিবাসন অভিযান শুরু হয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এসব ভিসা বাতিলের পেছনে মূলত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড এবং আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সংঘাতে জড়ানোর মতো কারণ রয়েছে। এছাড়া ভিসা সংক্রান্ত নিয়ম লঙ্ঘন, জালিয়াতি এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত কর্মকাণ্ডের কারণেও বহু ভিসা বাতিল করা হয়েছে।
এর মধ্যে রয়েছে হামলা, মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালানো, চুরি এবং মাদক সংক্রান্ত অপরাধ। পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিবেদনে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট মামলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে গুরুতর ধর্ষণ, অপহরণ এবং মানবপাচারের মতো মারাত্মক অভিযোগ।
উত্তর আফ্রিকার একটি মার্কিন দূতাবাস ১০০টিরও বেশি ভিসা বাতিল করেছে, যেখানে মূলত যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার উদ্দেশ্যে যারা দেশটিতে গিয়েছিলেন, তাদের নিশানা করা হয়েছে। পাশাপাশি, কনজারভেটিভ অ্যাক্টিভিস্ট চার্লি কার্কের হত্যাকাণ্ড নিয়ে উল্লাস প্রকাশকারী বিদেশিরাও এই তালিকার বাইরে নন। তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট খতিয়ে দেখে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে ভিসা কোনো অধিকার নয়, এটি একটি বিশেষ সুবিধা এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তাকে হুমকিতে ফেলে এমন কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে এবং এখন থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আরও নিবিড়ভাবে যাচাই-বাছাই করা হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ।
এদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের এই কঠোর নীতির তীব্র সমালোচনা করেছেন মানবাধিকার কর্মীরা। তাদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কড়া নজরদারির আওতায় আনার ফলে মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়ছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স